উন্নয়ন টেকসই করতে প্রবৃদ্ধির গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে

বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা গত পাঁচ দশকে বেশ উল্লেখযোগ্য। ১৯৭০-এর দশকের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ থেকে আজকের গতিশীল নিম্নমধ্যম আয়ের অর্থনীতিতে উত্তরণ—এটি কমসংখ্যক দেশের পক্ষেই সম্ভব হয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে বাংলাদেশ দারিদ্র্য হ্রাসে অনেক সাফল্য দেখিয়েছে।

গ্রামীণ অঞ্চলে সেচ সম্প্রসারণ, উচ্চফলনশীল জাত, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন ও কৃষিবহির্ভূত খাতের বিস্তার মানুষের জীবনযাত্রা বদলে দিয়েছে। নারীর কর্মসংস্থান, বিশেষত তৈরি পোশাক খাতে, তাঁদের পরিবারে স্থিতিশীল আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে এবং নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়িয়েছে।

ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক দরিদ্র পরিবারকে আয়ের সুযোগ করে দিয়েছে। প্রবাসী আয় রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় অনেক গ্রামীণ পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দিয়েছে, ছোট ব্যবসায় বিনিয়োগের পথ তৈরি করেছে ও সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা করেছে।

তবে দারিদ্র্য হ্রাসের এই সাফল্যের স্পষ্ট সীমাবদ্ধতাও আছে। নগর দারিদ্র্য দ্রুত বাড়ছে এবং এর প্রকৃতি আগের তুলনায় বেশি জটিল। ঢাকা ও বড় শহরগুলোয় অনেক মানুষ বস্তিতে বাস করেন—নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন বা নিরাপদ আবাসন ছাড়া। জাতীয় পর্যায়ে ৮৫ শতাংশ শ্রমিক অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন, যেখানে কাজ অস্থায়ী, আয় খুব কম এবং তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক সামাজিক সুরক্ষা নেই।

এ কারণে সামান্য যেকোনো ধাক্কাতেই, যেমন রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক দুর্বলতার কারণে এসব পরিবার আবার দরিদ্র অবস্থায় ফিরে যেতে বাধ্য হয়। খাদ্যদ্রব্যের উচ্চমূল্য মানুষের প্রকৃত আয় কমিয়ে দিয়েছে, এবং অনেক পরিবার দারিদ্র্যসীমার ওপর থেকে আবার নিচে নেমে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, দারিদ্র্য হ্রাসের সাফল্য কিছু ক্ষেত্রে আবার উল্টো দিকে ঘুরে গেছে।

অন্যদিকে বৈষম্যও ক্রমে স্পষ্টভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুযায়ী, জাতীয় আয় বণ্টনের জিনি সহগ ২০১৬ সালের শূন্য দশমিক ৪৮২ থেকে ২০২২ সালে বেড়ে শূন্য দশমিক ৪৯৯–এ দাঁড়িয়েছে, যা আয় বণ্টন আরও অসম হয়ে পড়ার ইঙ্গিত দেয়। খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২–এর তথ্য থেকে দেখা যায়, দেশের শীর্ষ ৫ শতাংশ খানা মোট জাতীয় আয়ের ৩০.০৪ শতাংশের মালিক, যেখানে নিচের ৫ শতাংশ খানার কাছে রয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে ২০১৬ সালে শীর্ষ ৫ শতাংশ খানার আয় ছিল মোট জাতীয় আয়ের ২৭.৮২ শতাংশ এবং নিচের ৫ শতাংশের আয় ছিল মোট জাতীয় আয়ের মাত্র শূন্য দশমিক ২৩ শতাংশ। শহর ও গ্রামের বৈষম্যও বিস্তর। শহরে উচ্চ উৎপাদনশীল সেবা ও শিল্প খাত বিস্তার লাভ করলেও গ্রামে বহু মানুষ কম আয় কৃষি ও অনিয়মিত কাজের ওপর নির্ভর করে চলছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি ও আর্থিক সেবায় প্রবেশাধিকারের বৈষম্য এসব পার্থক্যকে আরও গভীর করছে। দরিদ্র পরিবারের শিশুরা নিম্নমানের বিদ্যালয়ে পড়ে, অপুষ্টিতে ভোগে এবং আধুনিক শ্রমবাজারে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের সুযোগ খুব কম পায়। এ কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি শ্লথ হয়ে যাচ্ছে।

খাদ্যনিরাপত্তার ক্ষেত্রেও একই ধরনের দ্বৈত বাস্তবতা দেখা যায়। গত তিন দশকে বাংলাদেশ খাদ্যশস্য উৎপাদন দ্বিগুণের বেশি করেছে। কৃষি প্রযুক্তিতে অগ্রগতি এবং সরকারি নীতিতে প্রণোদনা এতে বড় ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা কেবল উৎপাদনের ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি ও ক্রয়ক্ষমতার ওপরও। জলবায়ু পরিবর্তন এখন এই ব্যবস্থার প্রধান হুমকি। সমুদ্রস্তর বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, আকস্মিক বন্যা ও খরার কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ কৃষিজমি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ২০২৩ সালে হাওর এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে অনেক ধান নষ্ট হয়, যে কারণে স্থানীয় খাদ্যসংকট দেখা দেয়। শহরের নিম্নআয়ের মানুষ উচ্চমূল্যের কারণে খাদ্যের পরিমাণ কমাতে বাধ্য হয়েছেন। জাতীয়ভাবে খাদ্য পর্যাপ্ত হলেও দরিদ্র জনগোষ্ঠী অনেক সময় পর্যাপ্ত খাদ্য কিনতে পারে না। এটাই আজকের প্রাচুর্যের মধ্যেও প্রাপ্তির সংকট।

সামাজিক সুরক্ষায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম বৃহৎ কাঠামো তৈরি করেছে। প্রায় ১২০টির বেশি সুরক্ষা কর্মসূচি চালু রয়েছে—বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, খাদ্যসহায়তা, কর্মসংস্থান কর্মসূচি ইত্যাদি। কিন্তু এসব কর্মসূচির কার্যকারিতা সীমিত।

সামাজিক সুরক্ষা খাতের বরাদ্দ ২০২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের মাত্র ১.৮৭ শতাংশ। তবে এই বরাদ্দের মধ্যে এমন অনেক উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মূলত দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক নয়, যেমন সরকারি কর্মচারীদের পেনশন, সঞ্চয়পত্রের সুদ প্রদান ও কৃষি ভর্তুকি।

এসব উপাদান বাদ দিলে ২০২৬ অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষা বরাদ্দের প্রকৃত অংশ জিডিপির মাত্র ১.০৩ শতাংশে নেমে আসে। এই বরাদ্দ বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশের প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তার ওপর, লক্ষ্যভ্রষ্টতা, উপকারভোগী তালিকা হালনাগাদ না হওয়া, কর্মসূচির পুনরাবৃত্তি, এবং নগর দরিদ্র ও অনানুষ্ঠানিক শ্রমিকদের বাদ পড়া—এসব কারণে সুরক্ষার প্রভাব ক্ষীণ হয়ে যায়। তাই সুরক্ষা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে ডিজিটাল রেজিস্ট্রি, জাতীয় সামাজিক সুরক্ষা তালিকা, সঠিক লক্ষ্যভিত্তিক বরাদ্দ এবং নগর দরিদ্রদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে। সামাজিক সুরক্ষায় ব্যয় জিডিপির কমপক্ষে ৪ শতাংশে উন্নীত করতে হবে।

এখন বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্যকে বহুমাত্রিক কাঠামোর মধ্যে বিশ্লেষণ করা হয়, যেখানে জোর দিয়ে বলা হয় যে দারিদ্র্য কেবল আয়ঘাটতির বিষয় নয়; এটি একাধিক বঞ্চনার সমষ্টি। এর মধ্যে রয়েছে নিম্নমানের শিক্ষা, নিরাপদ বাসস্থানের অভাব, অপুষ্টি, পরিষ্কার জ্বালানির সুযোগ না পাওয়া ও সামাজিক বর্জন। লিঙ্গ, জাতিগত পরিচয়, ভৌগোলিক অবস্থান এবং সামাজিক শ্রেণি—এসব উপাদানই নির্ধারণ করে কারা দারিদ্র্যের মধ্যে রয়ে যায়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে বাংলাদেশের দ্বৈত বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দেশটি দারিদ্র্য হ্রাস ও উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, তবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ভিত্তি এখনো দুর্বল। এখানে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বাড়ছে। তারা দারিদ্র্যসীমার ওপরে থাকলেও যেকোনো আঘাতে নিচে নেমে যেতে পারে। এখন বাংলাদেশের জন্য শুধু প্রবৃদ্ধির গতি নয়; বরং তার গুণগতমান ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশিষ্ট্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া অত্যাবশ্যক।

এ জন্য দরকার শিক্ষায় ও দক্ষতায় বড় বিনিয়োগ, উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রগতিশীল করব্যবস্থা, খাদ্য বাজারে স্বচ্ছতা, জলবায়ু-সহনশীল কৃষিতে বেসরকারি বিনিয়োগ ইত্যাদি। দারিদ্র্য বিমোচন, বৈষম্য দূরীকরণ ও খাদ্যনিরাপত্তা—এগুলো আলাদা নয়; একটি সমন্বিত উন্নয়নব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের অংশ। বাংলাদেশ বহুবার প্রমাণ করেছে যে অত্যন্ত কঠিন অবস্থা থেকেও দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব। এখন প্রয়োজন সেই অগ্রগতিকে আরও ন্যায়সঙ্গত ও স্থিতিশীল ভিত্তিতে দাঁড় করানো—যাতে দেশের প্রত্যেক নাগরিক প্রবৃদ্ধির সুফল বাস্তবে অনুভব করতে পারেন।


Reasons for signing.

See why other supporters are signing, why this petition is important to them, and share your reason for signing (this will mean a lot to the starter of the petition).

View All resone For signin

Reasons for signing.

See why other supporters are signing, why this petition is important to them, and share your reason for signing (this will mean a lot to the starter of the petition).

Recent News

This petiton does not yet have any updates

Suraiya

Started This Abedon.

30 November 2025   3.8 K

0 have signed. Let’s get to 15,000 !

0%
Treands

At 15,000 signatures, this petition becomes one of the top signed on amarabedon.com!

Sign This

By signing you are agree to the followingTerms & Condition and Privacy Policy.

Must see setitions

র‍্যাবের জন্য গাড়ি কেনা,এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নয়!

র‍্যাবের জন্য গাড়ি কেনা,এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নয়!

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে নানা পক্ষ থেকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্তির সুপারিশ এসেছে জোরালোভাবে।... Sign This
বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম,হেক্সিংকে কালোতালিকাভুক্ত করা হয়নি কেন?

বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম,হেক্সিংকে কালোতালিকাভুক্ত করা হয়নি কেন?

দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও বিনিয়োগে বর্তমান যে স্থবিরতা চলছে, নিশ্চিত করেই তার বড় দায় রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের। এ... Sign This
ক্ষুদ্রঋণে অব্যবস্থাপনা,প্রান্তিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

ক্ষুদ্রঋণে অব্যবস্থাপনা,প্রান্তিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

রাজশাহীর বাঘা, চারঘাট, পবা, মোহনপুর ও তানোর উপজেলার গ্রামগুলোতে ঋণের জালে পিষ্ট হওয়া মানুষের যে হাহাকার উঠছে, তা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে... Sign This
আলু চাষে লোকসান,সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার

আলু চাষে লোকসান,সমন্বিত পরিকল্পনা দরকার

কয়েক মৌসুম ধরে যে ফসলের দাম নিয়ে দেশের বৃহৎ ভোক্তাসমাজে কোনো হা–হুতাশ দেখা যায়নি, আলু সেই ফসলের নাম। কিন্তু আলু... Sign This
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা আরও কমল,এই সিদ্ধান্তে চাপে পড়বেন মধ্যবিত্তরা

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা আরও কমল,এই সিদ্ধান্তে চাপে পড়বেন মধ্যবিত্তরা

দেশে দুই বছরের বেশি সময় ধরে যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে, তখন সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ছয় মাসের ব্যবধানে আবারও কমানোর সিদ্ধান্ত ... Sign This
প্রবাসী শ্রমিকেরা কি শুধু পেটে ভাতেই থাকবেন???

প্রবাসী শ্রমিকেরা কি শুধু পেটে ভাতেই থাকবেন???

সৌদি আরবে পেস্ট কন্ট্রোল বা কীটনাশক ছিটানোর কাজে নিয়োজিত একজন শ্রমিকের জন্য নির্ধারিত মাসিক মজুরি ৭০০ রিয়াল। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা... Sign This
জ্বালানি তেলে সালফার,নীতি পাল্টান, ভেজাল তেল বিক্রি বন্ধ করুন

জ্বালানি তেলে সালফার,নীতি পাল্টান, ভেজাল তেল বিক্রি বন্ধ...

বৈশ্বিক মানদণ্ডে জ্বালানি তেলে সালফারের গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১০ পিপিএম হলেও বাংলাদেশে সরকারিভাবে নির্ধারিত গ্রহণযোগ্য মাত্রা ৩৫০ পিপিএম। আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে,... Sign This
জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল,দ্রুত বিদ্যুৎ-গ্যাস দিন, চালু করুন

জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল,দ্রুত বিদ্যুৎ-গ্যাস দিন, চালু করুন

৯ বছর আগে যে স্বপ্ন ও সম্ভাবনার আলোকে জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ সেটি এক গভীর হতাশার প্রতীকে... Sign This
ভোলার টিআর-কাবিখা প্রকল্প,দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

ভোলার টিআর-কাবিখা প্রকল্প,দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন

ভোলার চরফ্যাশনে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির (টিআর, কাবিখা, কাবিটা) প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কাগজে-কলমে শতভাগ কাজ শেষ দেখানো... Sign This
বরমচালের চা–শ্রমিক,অনুদানের অর্থ বেহাত হয় কীভাবে?

বরমচালের চা–শ্রমিক,অনুদানের অর্থ বেহাত হয় কীভাবে?

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রান্তিক ও নাজুক জনগোষ্ঠীর একটি চা–শ্রমিক, যাঁরা বংশপরম্পরায় চূড়ান্ত রকমের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছেন। চুক্তিভিত্তিক... Sign This
Loading